এখন মন স্বাধীন, স্বতন্ত্র!

এখন মন স্বাধীন, স্বতন্ত্র!

যারা বলল মাথা নুইয়ে চল্‌,
যারা বলল এসব কোলাহল,
যারা বলল এইখানেতে শেষ,
স্বপ্ন দেখা নেহাৎ অভ্যেস,

Continue reading “এখন মন স্বাধীন, স্বতন্ত্র!”

ছায়া সুনিবিড়

চলো বেড়িয়ে আসি। না টাকা কড়ির কথা বেশি ভেবো না। আর তোমার ব্যস্ত দিনের কথাও নয় বাদই দিলে। এমন রোদ ঝলমল দিন। নিতান্ত ঘর, অফিস, খাবার ডিশ করেই কাটাবে?

Continue reading “ছায়া সুনিবিড়”

একটা কথা বলছি সেই সকাল থেকে,

একটা কথা বলছি সেই সকাল থেকে,
আমায় দেখে, তোমায় দেখে যারা বাঁচে,
তাদের কাছে আমার কিছু শর্ত আছে,

Continue reading “একটা কথা বলছি সেই সকাল থেকে,”

অপরাজিতা ফুল

কোথায় যাবে পরিযায়ীর দল,

কোথায় যাবে রোদ পিয়াসি হয়ে,

উঠোনজুড়ে অপরাজিতা ফুল,

হাওয়ার টানে দুলছে রয়ে রয়ে।

Continue reading “অপরাজিতা ফুল”

রনি হর্টন

গ্লাসগো পৌঁছেছি গতকালই। এখানে আমার ছাত্রের বাড়িতে উঠেছি। তাদের আতিথেয়তা অনবদ্য। সাধারণত গণিত ক্যাম্প করতে স্বদেশে যখনই কোথাও গেছি, কোনও না কোনও ছাত্রের বাড়িতেই উঠেছি। প্রতিবারই গৃহস্বামির ব্যবহার আমায় মুগ্ধ করেছে। পৃথিবীতে এখনও শিক্ষকদের জন্য কিছু সম্মান অবশিষ্ট আছে। নচেৎ এই বণিকের মানদণ্ডে তৌল বৈশ্যরাজের যুগে, ব্রাম্মনের খুব এক বেশি সম্মান আশা করাই অনুচিত।

Continue reading “রনি হর্টন”

সরস্বতী

ক্লাসরুম থেকে ছিটকে বেরোলাম পোর্টিকোতে। নতুন নতুন স্কুল, নতুন নতুন বন্ধু আর নতুন সব টিফিন টাইম। ততক্ষণে চারদিকে অসংখ্য ছেলে মেয়ের ভীড় জমে গেছে। বাক্সে আনা খাবার আর হৃদয়ে আনা প্রেম সব টুপটাপ ঝরছে আমাদের পাঠভবনে।

Continue reading “সরস্বতী”

এক তারা – দোতারা – তিন তারা

(সামার ক্যাম্প গুলোয় প্রতিবার চেষ্টা করি বাংলা ভাষায় কিছু লিখতে। গণিত নিয়ে বাংলায় লেখা জোখা অল্পই হয়েছে। এবারের ক্যাম্প homological triangle নিয়ে। এই লেখা তার পয়লা কিস্তি)

Continue reading “এক তারা – দোতারা – তিন তারা”

এসো অনন্ত দিন

টিপ টিপ করে বৃষ্টি পড়ছে। আমার পাশে মেয়েটি বসে। মঙ্গোলিয় মুখ দেখলেই মনে হয় ‘চীনাই হবে। অথবা জাপানি।’ মেয়েটি সত্যিই চীন থেকে এসেছে। সুদূর মার্কিণ যুক্তরাষ্ট্রের আরকান্সাস প্রদেশে। এখানকার কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে। আমাদের আড্ডা জমে গেল। হয়ত প্রতিবেশি দেশ বলে। হয়ত দুজনেই স্বদেশ থেকে বহুদুরে আছি বলে। এ কথা, সে কথা,  কত কথা। যাত্রা ফুরাতে ক্ষণিকের বন্ধুত্ত্বও মিলিয়ে গেল। আমরা যে যার পথে চললাম। সে আজ থেকে পাঁচ বছর আগের কথা।

Continue reading “এসো অনন্ত দিন”

রোক

স্লাভিনিয়ার ছেলে রোক। হাইড পার্ক ইন-এর লাউঞ্জে বসে রোজনামচা লিখছিলাম। ওয়াইফাই-টা একটু আলগা আসছিল। তাই ঘুরে বসতেই দেখি ছেলে মেয়ের দলে হাসি-র রোল উঠেছে। বসার আগেই দেখেছিলাম যে একগুচ্ছ ছেলে মেয়ে বসে তাস পেটাচ্ছে। আমি একধারে চেয়ার নিয়ে বসেছিলাম। ওরা সোফা আর টেবিলের দখল নিয়েছিল।

Continue reading “রোক”