রোক

স্লাভিনিয়ার ছেলে রোক। হাইড পার্ক ইন-এর লাউঞ্জে বসে রোজনামচা লিখছিলাম। ওয়াইফাই-টা একটু আলগা আসছিল। তাই ঘুরে বসতেই দেখি ছেলে মেয়ের দলে হাসি-র রোল উঠেছে। বসার আগেই দেখেছিলাম যে একগুচ্ছ ছেলে মেয়ে বসে তাস পেটাচ্ছে। আমি একধারে চেয়ার নিয়ে বসেছিলাম। ওরা সোফা আর টেবিলের দখল নিয়েছিল। ছেলেটি আমার দিকে হাত তুলে বলল, ‘আমরা কি একটু বেশি […]

শৃঙ্খলে বার বার ঝন ঝন ঝঙ্কার!

লণ্ডনের রাস্তা ঘাটে প্রায়ই চোখে পড়ছে প্যালেস্তাইনের পক্ষে মিছিল। পোস্টার প্ল্যাকার্ড স্লোগান।

আমার গ্রাম

ভোর চারটের সময় সন্ধি পুজো। কান খাড়া করে আমি শুয়ে। পাশেই মা ঘুমে অচৈতন্য। ঠিক সাড়ে তিনটের সময় ডাক, ‘অনি, উঠেছিস?’ সন্ধি পুজার পদ্মফুল বাছা হবে। একশো আট পদ্ম। মেয়েটা তাই আমায় ডাকতে এসেছে। একা একা অতগুলো ফুল কি বাছা যায়? ব্যালকনির সামনে দিয়ে ট্রাই সাইকেল করে ছেলেটি দিব্যি যায় আসে। আমার হাতের চামড়া সাদা […]

ঘুম নেই

এখন রাত বারোটা চল্লিশ। ঘুমে চোখ বুজে আসছে। তবু লেখার মোহ কাটাতে পারছি না। এ যেন পুজোর রাত গুলোর মত। ঘুম আছে কিন্তু ঘুম নেই। আজ আক্ষরিক অর্থে ‘স্যাটার্ডে নাইট’। বিকেলে ঘরে ফেরার পর বেশ খানিক ক্ষণ বিশ্রাম নিয়েছি। ছ’টা নাগাদ তোয়া কিচেন-এ ‘ক্যান্টোনিজ ডাক’ খেলাম। হাইড পার্ক ইন -এর রিসেপশনের কাছে অনেকগুলো নাইটক্লাবের ছবি। […]

বঙ্গবাসী

দুবাই এয়ারপোর্ট জমজমাট জায়গা। অনেকটা শিকাগোর মত। সাড়ে বত্রিশ ভাজা জনতা হন্ত দন্ত হয়ে হেঁটে চলেছে। লাউঞ্জের একটা বৃহৎ অংশ জুড়ে বিপণি। যে কটা এয়ারপোর্টে আজ অবধি গেছি, সর্বত্রই দোকানপত্র একই ধাঁচের। মার্কিণ আর ইউরোপীয় বহুজাতিকের বিনোদন এবং প্রসাধন সামগ্রীর ছড়াছড়ি। অতএব কোলকাতা অথবা মুম্বাইএর বড় মাপের শপিং মলে গেলে যা দেখা যায়, এখানেও সেই […]

মৈনুদ্দীন

কলকাতা এয়ারপোর্ট অনেক পালটে গেছে। ২০০৮ সালে শিকাগো – দিল্লী হয়ে কলকাতার আকশে যখন ফিরেছি, এয়ারপোর্ট দেখে মনে হয়েছে যেন বাংলার গ্রাম। ২০১৪ তে গ্রাম আর গ্রাম নেই। শহর হয়ে উঠেছে। এ ক’দিনেই ম্যাক-টার সাথে বন্ধুত্ব গাঢ় হয়েছে। ভাবটা এমন যে তাকে ছাড়া যেন চলবেই না। পুর্বতন ল্যাপটপটা নিয়ে অবশ্য এয়ারপোর্টে বসে লেখার কথা ভাবতেই […]