কৌতুহল

মোহ লেগে থাকে। হয়ত থেকে যাব অক্ষয় বটের মত। হয় না। তবু কৌতুহল থাকে বই কি। কেমন হত দেখা হয়ে গেলে? শ্রমসিক্ত দিনের শেষে তার হাসি দেখলে? কেমন হত বলত? হাঁটতে হাঁটতে কাফের প্রান্তে দাঁড়াই। একতলা গুলো সুন্দর করে সাজানো। কিছু পয়সা পেয়েছে মধ্যবিত্ত বাঙালি। সেই বেশি বয়সের কন্যাও কিছু অবসর পেয়েছে। এত দিন পর!Continue reading “কৌতুহল”

একজন বুড়ো মানুষ

একজন বুড়ো মানুষ বসে আছেন। রোজই থাকেন। বই নেই, মোবাইল নেই। এদিক ওদিক তাকান। ওয়েটার দের হাতছানি দিয়ে ডাকেন। একটা দুটো কালো কফি নেন। সাদা শার্ট, কালো প্যান্ট। পালিশ করা পাম্প শু। খয়েড়ি রঙের মোজা, এইচএমটির সাদা ঘড়ি। আচ্ছা ভদ্রলোক কি উকিল? একটা কালো জিন্সের কাঁধ-ব্যাগ নিয়ে আসেন। উকিলের ব্যাগ। কারো সাথে কথা বলেন না।Continue reading “একজন বুড়ো মানুষ”

এই যে হিয়া থরোথরো

চারজন বন্ধু পেলাম হোস্টেলে। ওড়িশার অমিত, দূর্গাপুরের চন্দন, করাচীর আয়েষা আর পুণার সুমিত্রা। কি করে হলো জানিনা। আমরা পাঁচজন বন্ধু হয়ে গেলাম। বিপদে আপদে আনন্দে দুঃখে পাঁচজনে মিশে মিশে রইলাম সেই ২০১৫ থেকে।

অদ্বৈত

অন্তরে কি দুজনে সমান? দেখতেই যা আলাদা? জীবনে, গণিতে, সাহিত্যে, এই প্রশ্নটা আমাদের প্রায়ই খোঁচা দিয়ে যায়। ১৮০০ সালের জ্যাকোবাইট, ১৯০০ সালের নারোদনিক আর ২০০০ সালের মাওবাদী কি একই মানুষ। শুধু আকারে ভিন্ন? ফাউস্ট আর গোরা কিএকই উপন্যাস? ‘একই’ কথাটার অর্থই বা কি? কতটা নির্দিষ্ট করে দুটো পৃথক বস্তুকে ‘এক’ বলা যায়? ‘পৃথক’ কথাটার অর্থইContinue reading “অদ্বৈত”

বৃষ্টি নামল যখন

When it started to rain, I was alone in the porch,I ran. I thought I would find you in the water.I thought that you might be soaked in the cloud,Or the rain. Beneath the shiuli tree’s bosom.Soaking your hair.. oh… in sky wrenching water…But you were not to be found.Not outside in the rain.My heartContinue reading “বৃষ্টি নামল যখন”

ইকারাস, ওটেন আর রাজবিদ্রোহী

ক্রিট দেশের রাজা বল্লেন, একটা মস্ত জেলখানা চাই। দায়দালুস তো বিশ্বকর্মা। রাজার হুকুম মত সেই বানালে এক গভীর সুড়ঙ্গের মধ্যে দুর্ভেদ্য কারাগার। কিন্তু ভাগ্যের কি পরিহাস! রাজা সেই দায়দালুসকেই কারাগারে বন্দী করে রাখলে। নিজেরই বানানো জেলখানায় বন্দী হলেন দায়দালুস। সাথে তার ছেলে ইকারাস।

আমরা যা চাই

অর্জুন বললেন, ‘আমি কি করে তোমায় ত্যাগ করতে পারি?’ সমস্ত পৃথিবী যেন থরথর করে উঠল। জলে বৃষ্টির প্রথম বিন্দু টুপ করে ঝরে পড়লে যেমন কম্পন হয়, তেমনি। আমরা চাই তেমন বিন্দু বিন্দুতে শিহরিত হতে। আমরা পারি না। আমাদের অন্তরে শ্বাসের মুল্য কি কমে আসছে? সেই ফরাসি যুবকের মত আমারও বলতে ইচ্ছে করে, ‘কোনো ভয় নেই।Continue reading “আমরা যা চাই”

চুরুট

হঠাৎ শখ চেপেছে চুরুট খাওয়ার। ওকল্যাণ্ড এভিন্যুর ওপর একটা মস্ত দোকান দেখেছিলাম। আরব দেশিয় বিপণী। ভেতরে হুঁকো, সিগার এসমস্ত রাখা। সেখানেই হানা দিলাম।

তুষারমৌলি

বাসে করে যাচ্ছিলাম মে-ফেয়ার মল। শহরের এক প্রান্তে ওয়াওয়াটোসা। মঙ্গলবার করে সেখানে হাফ দামে সিনেমা দেখা যায়। গাইডের সাথে আলোচনা শেষ করতে করতে দুপুর ১টা হলো। তারপর ৬০ নাম্বার বাস ধরেছি। আজ একটা কিছু দেখতেই হবে। অনেকদিন স্বাদবদল হয় না।