বন্ধক

এমন ভাবে চলে যাচ্ছে দিন, ছুঁতে গেলে ছ্যাঁকা লেগে যায়অর্জুনের শরসন্ধানে, একাগ্র তার অহং তপোময়। ফিরে দেখছি মুহুর্তের মত, কি যেন সব লেগে থাকছে পথে, অবিরত ধুলার মত তার, মৃত্যু হয়। হয়েও হয় না। এক মুঠো জুঁই ফুলের কাছে, আমার সব জাহাজ বাঁধা আছে, সমস্ত দিনই সফল হয়,শুধু তার গন্ধ মেটে না।

কৌতুহল

মোহ লেগে থাকে। হয়ত থেকে যাব অক্ষয় বটের মত। হয় না। তবু কৌতুহল থাকে বই কি। কেমন হত দেখা হয়ে গেলে? শ্রমসিক্ত দিনের শেষে তার হাসি দেখলে? কেমন হত বলত? হাঁটতে হাঁটতে কাফের প্রান্তে দাঁড়াই। একতলা গুলো সুন্দর করে সাজানো। কিছু পয়সা পেয়েছে মধ্যবিত্ত বাঙালি। সেই বেশি বয়সের কন্যাও কিছু অবসর পেয়েছে। এত দিন পর!Continue reading “কৌতুহল”

সেমন্তি ঘোষ – প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সরকারের কাজের প্রতিবাদ মানেই দেশদ্রোহ? (আনন্দবাজার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০)

জেএনইউ-র প্রাক্তন ছাত্র উমর খালিদ নিজে আন্দোলন করেছেন এত কাল, এখন তাঁকে নিয়ে কোনও আন্দোলন হবে কি? যদিও করোনাকালে আন্দোলন মানে সমাজমাধ্যমে ‘উমর খালিদ, সঙ্গে আছি’, এইটুকুই। দিল্লিতে অবশ্য একটা প্রেস কনফারেন্স হয়েছে। দিল্লি নৃশংসতার (দাঙ্গা নয়, দাঙ্গা বলে দ্বিপাক্ষিক হিংসাকে) সময় শহরে উপস্থিত না-থাকা সত্ত্বেও তার দায়ে উমর খালিদের বিরুদ্ধে ইউএপিএ (আনল’ফুল অ্যাকটিভিটিজ় প্রিভেনশনContinue reading “সেমন্তি ঘোষ – প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সরকারের কাজের প্রতিবাদ মানেই দেশদ্রোহ? (আনন্দবাজার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০)”

একজন আনন্দময় মানুষের খোঁজে

একজন আনন্দময় মানুষের খোঁজে সারা দিন কেটে গেল, দু লহমা বসিনি। পাশের বাড়ি থেকে কেউ ডাকছিলো। শুনিনি। কপালে ঘাম জমছিলো। মুছে নিলাম। চেয়ারে বসেছিলো জমকালো কত জন, একজন আনন্দময় মানুষের খোঁজে তারাও যাবে।

ঝড়মহল

ঝড়মহলে ছিলাম তাই মহলা দিই নি, মেঘের খবর আমার সেই বুকপকেটে রাখা, কবিতা নিয়ে কখনো কোনো কষ্ট পাইনি, এটুকু আর হত্যে দিয়ে জেতার মত নয়। হিন্দু স্কুলের দেয়ালে ওই মেঘ ঘনিয়ে এলো, কালো কফির ফোঁটায় ফোঁটায় তুমুল শরৎকাল, আমার কিছু অন্তমিল কুলুঙ্গিতে ছিলো, আর কিছুটা ছড়া কাটার শব্দ যন্ত্রণার। মেঘের মত আমিও তাই ছিন্ন। ঘনায়মান।Continue reading “ঝড়মহল”

ঠিক মত আকাশ থাকলে

ঠিক মত আকাশ থাকলে তুমি থেকে যেতে, নদীর মত থই থাকলেও, হয়ত দাঁড়াতে, তারপর অরণ্যের মত গহন হয়ে কাছে বসতাম, তুমি বনান্তের মত কঠোর হতে, ভালোবাসতে।

একজন বুড়ো মানুষ

একজন বুড়ো মানুষ বসে আছেন। রোজই থাকেন। বই নেই, মোবাইল নেই। এদিক ওদিক তাকান। ওয়েটার দের হাতছানি দিয়ে ডাকেন। একটা দুটো কালো কফি নেন। সাদা শার্ট, কালো প্যান্ট। পালিশ করা পাম্প শু। খয়েড়ি রঙের মোজা, এইচএমটির সাদা ঘড়ি। আচ্ছা ভদ্রলোক কি উকিল? একটা কালো জিন্সের কাঁধ-ব্যাগ নিয়ে আসেন। উকিলের ব্যাগ। কারো সাথে কথা বলেন না।Continue reading “একজন বুড়ো মানুষ”

ঘর বাড়ি

কতবার ‘আমি’ বললে আজ?উঠোনে তবু জুঁইএর গন্ধ আছে,উবু হয়ে শুধু বেছে নাও ঘর বাড়ি,এখনও তুমি সজল যে হয় তারই!আকাশে হয়ত গোধূলির আনাগোনা। কনকচাঁপার নাম শুনেছিলে তুমি,পুড়ে খাক হোক সমস্ত বনভূমি,তবু তো তুমি নদীর প্রান্তে গেলে,মুহুর্তে তুমি এমন স্বচ্ছ হলে,জ্যোৎস্নার মত শিহরিত মেঘমাঠ!

এই যে হিয়া থরোথরো

চারজন বন্ধু পেলাম হোস্টেলে। ওড়িশার অমিত, দূর্গাপুরের চন্দন, করাচীর আয়েষা আর পুণার সুমিত্রা। কি করে হলো জানিনা। আমরা পাঁচজন বন্ধু হয়ে গেলাম। বিপদে আপদে আনন্দে দুঃখে পাঁচজনে মিশে মিশে রইলাম সেই ২০১৫ থেকে।